পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর কারচুপিতে দুই বছর কারাদণ্ডের বিধানসহ আইন পাস
পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর কারচুপিতে দুই বছর কারাদণ্ড

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২০তম দিনে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

পরীক্ষকদের জন্য নতুন শাস্তির বিধান

সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। তবে এ ধরনের অপরাধে শাস্তি দিতে হলে তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে নম্বরের অসঙ্গতি নিশ্চিত করতে হবে।

ডিজিটাল জালিয়াতির শাস্তি পাঁচ বছর

এ আইনে অনুমতি ছাড়া পরীক্ষার ডাটাবেজে প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য বিকৃত করা বা পরীক্ষার রেকর্ডে কারসাজিসহ যেকোনও ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা এবং অন্যান্য ডিজিটাল কারসাজির বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনটি সময়োপযোগী করে হালনাগাদ

সংশোধিত আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-কে সময়োপযোগী করে হালনাগাদ করা হয়েছে। এতে আধুনিক ডিজিটাল অপরাধ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ