পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ (২৫ জুন)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১০টায় সেতুটি উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে আয়োজন করা হয়েছে জমকালো অনুষ্ঠানের।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মাওয়া প্রান্তে বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষের জন্য। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। সেতু এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সেতুর গুরুত্ব
পদ্মা সেতু দেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই সেতুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের সবচেয়ে বড় সেতু প্রকল্প। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময়সূচি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১০টায় সেতু উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি সেতু পরিদর্শন করবেন। পরে মাওয়া প্রান্তে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখবেন সেতু বিভাগের সচিব ও প্রকল্প পরিচালক।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে। দেশের知名 শিল্পীরা পরিবেশনায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল।
সেতু উদ্বোধনের তাৎপর্য
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এই সেতুটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আনবে। পণ্য পরিবহন সহজ হবে, পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সেতুটি নির্মাণে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এটি দেশের সক্ষমতার পরিচয় বহন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন।



