নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত পরিদর্শককে ইতোমধ্যে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি হাতিয়ার জাহাজমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ
সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, ছয় মাস আগে জাহাজমারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের মেসে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরপরই তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
পুলিশ সুপারের বক্তব্য
এ বিষয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, এর আগেও এ ধরনের একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তখন সার্কেলের এএসপিকে দিয়ে তদন্ত করা হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তদন্ত কমিটি
এ ঘটনা তদন্তে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আহমেদ পেয়ারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম) শাহ আলম ও উপপরিদর্শক সায়মা সুলতানা।



