মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক যুবক ও এক তরুণীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে গোপনে ভিডিও ধারণের পর আটকে রেখে মারধর, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই ভিডিওকে হাতিয়ার করে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী ওয়ার্ড বয় শাহিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কয়েকজন আনসার সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনার বিবরণ
রোববার গভীর রাতে হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের একটি টয়লেটে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৩টায় হাসপাতালের একটি টয়লেটে অবস্থানকালে ওয়ার্ডবয় শাহিন তাদের ভিডিও ধারণ করেন। পরে তাদের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে একটি আইফোন-১৩ ও নগদ ৩ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়।
অনৈতিক প্রস্তাব ও হুমকি
ভুক্তভোগী যুবক অভিযোগ করেন, কিছু সময় পর ওয়ার্ড বয় শাহিন ও তার এক সহযোগী ভিডিওটি দেখিয়ে তরুণীকে নিয়ে রাত কাটানোর আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি, তবে স্থানীয় প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।



