গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত হয়েছেন এবং দাদা আহত হয়েছেন। বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফেরেজা বেগম (৬৫) এবং আহত তার স্বামী করিম মিয়া (৭০)।
ঘটনার বিবরণ
ঘটনাটি ঘটে বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে বিকেলে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘুরিদহ ইউনিয়নের খামারপাবন তায়ের গ্রামে। পুলিশ অভিযুক্ত নাতি শাকিল মিয়া (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গেছে, শাকিল মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম পোয়ানতায়ের গ্রামের বাসিন্দা এবং মাদকাসক্ত। সম্প্রতি তার বিয়ে হয়। তার স্ত্রী তাকে মাদক ছাড়ানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বুধবার সকালে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান।
হামলার কারণ
পরে শাকিল তার দাদা-দাদির ওপর চাপ দেয় স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য। দাদা-দাদি রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শাকিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে দাদা-দাদির ওপর হামলা চালায়, যাতে তারা গুরুতর আহত হন।
উদ্ধার ও মৃত্যু
স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পথিমধ্যে জুমারবাড়ি ইউনিয়নের কাইদার গেট নামক স্থানে ফেরেজা বেগম মারা যান।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



