ক্রসফায়ার মামলায় হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিচার শুরু আজ
ক্রসফায়ার মামলায় হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিচার শুরু

ক্রসফায়ার মামলায় হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিচার শুরু আজ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল নেতাসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে আজ, বুধবার (১৭ জুন)।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, বিচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে মামলার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরুর মধ্য দিয়েই মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারিক ধাপে অগ্রসর হবে।

মামলার চার আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন। অপরদিকে পলাতক রয়েছেন বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এর আগে গত ২০ মে ট্রাইব্যুনাল চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়।

মামলার ভুক্তভোগী দুজন হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের সরিয়ে দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি টিপু ও কবিরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপতার করে পুলিশ। এরপর আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কে কথিত ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।