পদ্মা সেতুর পিলার থেকে মাটি কাটা নিয়ে বিতর্ক
পদ্মা সেতুর পিলার থেকে মাটি কাটা নিয়ে বিতর্ক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে সেতুটি হুমকির মধ্যে পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় দুই পক্ষের দুই ধরনের বক্তব্যে প্রকল্পের তথ্যের ব্যাপারে সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট।

স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয়রা জানান, মাটি কাটার জন্য অনুমতি আছে এমন একটি কাগজ দেখিয়ে পিলারের গোড়ার মাটি ইটভাটায় বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল। ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান জানান, ইউএনওর নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তাদের বক্তব্য

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের উপপরিচালক আমিনুল করিম বলেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর পিলার নম্বর ৭৬ থেকে ৯০ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্যের জায়গাটি আগে জলাশয় ছিল। চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি কন্ট্রাক্টর মাটি বা বালু দিয়ে স্থানটি ভরাট করে ভায়াডাক্ট নির্মাণকাজ শেষ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ঐ অঞ্চলে আগের মতো জলাশয় খনন করা হচ্ছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রেলওয়ের অবস্থান

বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে কখনো এমন মাটি কাটার অনুমোদন দেয় না। রেলওয়ে এমন কোনো কাজের অনুমতি দেয়নি।

প্রশাসনের পদক্ষেপ

যারা মাটি কেটে নিচ্ছে তারা জানিয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকারী সংস্থা চায়না কোম্পানির থেকে মাটি কাটার ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছেন তারা। এটি এই প্রকল্পের কাজেরই অংশ। যেহেতু এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, যারা মাটি কাটছেন তাদের অনুমতি আছে। তবে আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ