ফেব্রুয়ারি ১২-এর গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল
ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবিএম আতাউল মজিদ তৌহিদ সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটি দাখিল করেছেন।
আবেদনের মূল দাবিসমূহ
রিট আবেদনে শুধুমাত্র গণভোটের বৈধতাই চ্যালেঞ্জ করা হয়নি, বরং গণভোটের ফলাফল বাতিলেরও দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনকারীর যুক্তি হলো যে এই গণভোটটি আইনগতভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়নি।
আবেদনে যাদেরকে বিবাদী করা হয়েছে
এই রিট আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা গণভোট পরিচালনায় আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।
আবেদনের শুনানি প্রক্রিয়া
এই রিট আবেদনটি সম্ভবত বিচারপতি ফাতেমা নাজিবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে। আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলাটি সংবিধানিক গুরুত্ব বহন করে এবং এর ফলাফল ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলোর জন্য একটি মাইলফলক হতে পারে।
গণভোটের ফলাফল: একটি পরিসংখ্যান
এদিকে, ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট জয়লাভ করেছে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার প্রস্তাবনার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন ভোটার প্রস্তাবনার বিপক্ষে ভোট প্রদান করেছেন।
এই ফলাফলটি দেশব্যাপী ব্যাপক ভোটার অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়, তবে রিট আবেদনটি এখন এই প্রক্রিয়ার আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আইনজীবী এবিএম আতাউল মজিদ তৌহিদের মতে, গণভোটটি সংবিধান এবং নির্বাচনী আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা নির্ধারণ করা এই আবেদনের মূল লক্ষ্য।
