পুলিশের ১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন—এগুলো মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ। এসব কাজ চলমান এবং এর কোনো সময়সীমা নেই। এটি প্রতিদিনের কাজ। সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ নেই
যাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, এগুলো মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। কারো প্রতি যেন অবিচার না হয়, সেভাবেই দেখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত
এর আগে, রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে অবসরের তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা পাবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা
অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন: এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, এনএসআইয়ের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান। এ ছাড়া পিটিসি নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হায়দার আলী খান, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলীও রয়েছেন।
আরও পাঁচ কর্মকর্তা
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি গোলাম রউফ খান, পিটিসি রংপুরের কমান্ড্যান্ট রেজাউল হায়দার, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদা) ফারহাত আহমেদও এই তালিকায় রয়েছেন।
পূর্ববর্তী ঘটনা
গত ২২ এপ্রিল ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার আরও ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।



