দেশের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগে তিনটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। রাজধানীর প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই আধুনিক, টেকসই ও গ্রিন অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণের লক্ষ্যে রোববার ওয়ালটনের কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৃথকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা
প্রকল্পটির আর্কিটেকচার, নির্মাণ ও প্রকৌশল পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং। ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্য
ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, একটি আধুনিক কর্মপরিবেশ কেবল নান্দনিকতার বিষয় নয়; বরং এটি কর্মীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। পরিকল্পিত এই আইকনিক অফিস কমপ্লেক্সটি হবে স্মার্ট, টেকসই এবং বিশ্বমানের কর্মপরিবেশের প্রতীক। তিনি জানান, প্রকল্পটির মাধ্যমে শুধু একটি ভবন নির্মাণ নয়, বরং দেশের শিল্প সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতাও তুলে ধরা হবে।
প্রকল্পের বিবরণ
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, ১৪.৩ বিঘা জমির ওপর নির্মিতব্য ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের মোট আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। প্রথম ধাপে ৭ বিঘা জমিতে প্রায় ৯ লাখ বর্গফুটের ১৩ তলা বিশিষ্ট একটি গ্রিন অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে, যার সঙ্গে থাকবে তিনটি বেসমেন্ট। প্রকল্পটির আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।



