ই-কমার্স কোম্পানির বিরুদ্ধে জাল পণ্য বিক্রির অভিযোগে গ্রাহকদের প্রতারণা
ই-কমার্সে জাল পণ্য বিক্রির অভিযোগ গ্রাহক প্রতারণা

অর্ডারকৃত পণ্যের বদলে নকল পণ্য

অনলাইনে পণ্য অর্ডার করে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জানিয়েছেন, তারা যে পণ্যের অর্ডার দিয়েছেন, তার বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নকল পণ্য হাতে পাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি মোবাইল ফোন অর্ডার করেছিলেন রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা রাকিব হাসান। তিনি বলেন, 'আমি একটি知名 ব্র্যান্ডের ফোন অর্ডার করি, কিন্তু প্যাকেট খুলে দেখি সেটি একটি নকল ফোন। কোম্পানির গ্রাহক সেবায় যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাইনি।'

অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ই-কমার্স সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে জাল ও নকল পণ্য সরবরাহের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, 'অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানই গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমরা অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নিচ্ছি, কিন্তু আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে তারা পার পেয়ে যাচ্ছে।'

গ্রাহকদের করণীয়

ভোক্তা অধিকার সংস্থার পরামর্শ, অনলাইনে পণ্য অর্ডার করার আগে প্রতিষ্ঠানের সঠিক ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। পণ্য হাতে পাওয়ার পর সঠিকভাবে পরীক্ষা করে তবেই পেমেন্ট সম্পন্ন করা ভালো। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের দায়

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তারা গ্রাহক সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নকল পণ্য সরবরাহ রোধে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা জরুরি। বাংলাদেশ ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জানান, 'আমরা সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিই। তবে সব প্রতিষ্ঠান আমাদের সদস্য নয়, তাই আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ