বাংলাদেশের এক্স সিরামিকস গ্রুপ উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম 'কভারিংস ২০২৬' প্রদর্শনীতে অংশ নিল
বাংলাদেশের এক্স সিরামিকস 'কভারিংস ২০২৬' প্রদর্শনীতে অংশ নিল

বাংলাদেশের সিরামিক শিল্পের আন্তর্জাতিক অর্জন: 'কভারিংস ২০২৬' প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ

উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম সিরামিক টাইলস ও প্রাকৃতিক পাথর প্রদর্শনী 'কভারিংস ২০২৬'-এ অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের সিরামিক খাতের প্রতিষ্ঠান এক্স সিরামিকস গ্রুপ। এটি দেশের সিরামিক শিল্পের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীর স্থান ও সময়

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের লাস ভেগাসে অবস্থিত লাস ভেগাস কনভেনশন সেন্টারে গত ৩০ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা বিশ্বের প্রস্তুতকারক, স্থপতি, ডিজাইনার ও শিল্পপতিরা অংশ নিয়েছিলেন। এক্স সিরামিকসের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রদর্শিত পণ্যের বৈশিষ্ট্য

কনভেনশন সেন্টারের নর্থ হলের ৩৩৭৯ নম্বর বুথে এক্স সিরামিকস তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবিত পণ্য প্রদর্শন করে। কোম্পানিটি নিম্নলিখিত পণ্যগুলো উপস্থাপন করেছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • জীবাণু-প্রতিরোধী টাইলস
  • তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী টাইলস
  • অ্যান্টি-স্লিপ টাইলস
  • স্টোন শিল্ড টাইলস (যা আঁচড়রোধী ও টেকসই)
  • প্রাকৃতিক কাঠের নান্দনিকতা ও দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতাসম্পন্ন উড ট্রেইল টাইলস

টাইলসের পাশাপাশি কোম্পানিটি তাদের স্যানিটারি ওয়্যার ব্র্যান্ড 'এক্স বাথওয়্যার'-এর পণ্য প্রদর্শন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ইতালিয়ান ডিজাইন ও প্রিসিশন সিরিজ। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সংগতি রেখে পণ্যগুলো রোবোটিক হাই প্রেশার কাস্টিং মেশিন ও উন্নত রোবোটিক গ্লেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিনিধিত্ব ও প্রতিক্রিয়া

প্রদর্শনীতে এক্স সিরামিকস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহিন মাজহার, উপদেষ্টা ও পরিচালক মুহাম্মদ শহিদুজ্জামান কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করেন। মাহিন মাজহার বলেন, 'কভারিংস প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ শুধু কোম্পানির জন্যই নয়, বাংলাদেশের জন্যও একটি গর্বের মুহূর্ত। কারণ, এটি দেশের ক্রমবর্ধমান উৎপাদনক্ষমতা, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক মানের প্রতি অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।'

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই মাইলফলক বাংলাদেশের সিরামিক ও স্যানিটারি ওয়্যার শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতির জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচন করবে।