বিমান বাংলাদেশকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা: মন্ত্রী
বিমান বাংলাদেশকে আধুনিক করতে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের জাতীয় গর্বের একটি উজ্জ্বল প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” সোমবার (৩০ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের সদর দফতর বলাকা ভবন পরিদর্শনে এসে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। এ সময় তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা ও প্রত্যাশা

বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে বিমানকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে অন্যরা বিমানকে অনুসরণ করে। লাগেজ চুরির ঘটনায় কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সঙ্গে ক্যাবিন ক্রুসহ সকল কর্মীর আচরণ সম্মানজনক ও পেশাদার হতে হবে।”

টিকিট ব্যবস্থাপনা ও হজ কার্যক্রমে গুরুত্ব

তিনি টিকিট বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “টিকিটের অপ্রাপ্যতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ফ্লাইটে আসন শূন্য যাওয়ার বিষয়টি কার্যকরভাবে তদারকি করতে হবে। হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সময়মতো সম্পন্ন করতে হবে। হজযাত্রীদের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিমানের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত মানদণ্ড সর্বদা যথাযথভাবে বজায় রাখতে হবে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও সমর্থন

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “বিমানের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রণালয় সর্বদা পাশে থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষর সাপেক্ষে ২০৩২ সাল নাগাদ নতুন এয়ারক্রাফট বিমানে আসতে পারে। এর প্রেক্ষিতে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কীভাবে বিমান তার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার একটি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে, যেন মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”

এই সফর ও আলোচনায় বিমান বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক মানোন্নয়ন, যাত্রী সেবা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার কৌশল তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ বিমান বাংলাদেশকে একটি বিশ্বমানের এয়ারলাইন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।