অটবি চেয়ারম্যান ফাল্গুনী কুণ্ডুর জীবনাবসান, বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর
অটবি চেয়ারম্যান ফাল্গুনী কুণ্ডুর জীবনাবসান

শিল্পী নিতুন কুণ্ডুর সহধর্মিনী ও আসবাবপত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অটবি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফাল্গুনী কুণ্ডু মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। গত রোববার রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অটবির মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, ফাল্গুনী কুণ্ডু বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত সোমবার বিকালে সবুজবাগ মহাশ্মশানে তার অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় তার পরিবারের ঘনিষ্ঠজন এবং অটবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিতুন-ফাল্গুন দম্পতির ছেলে অনিমেষ কুণ্ডু বর্তমানে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। আর তাদের মেয়ে অমিতি কুন্ডু কোম্পানির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিতুন কুণ্ডুর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে পড়ালেখা করা নিতুন কুণ্ডু ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পোস্টার ডিজাইন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘অটবি’।

নিতুন কুণ্ডু ১৯৯১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ নির্মাণ করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকায় নির্মাণ করেন ‘সার্ক ফোয়ারা’। ভাস্কর্যে বিশেষ অবদান রাখায় ১৯৯৭ সালে তাকে একুশে পদক দেওয়া হয়।

শিল্পী ও শিল্প-উদ্যোক্তা নিতুন কুণ্ডু ২০০৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মারা যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ