যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বৃদ্ধি, মার্কিন হুমকি সত্ত্বেও
যুদ্ধে ইরানের তেল রপ্তানি বেড়েছে, খার্গ দ্বীপে মার্কিন হুমকি

যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বৃদ্ধি

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ থেকে যুদ্ধের মধ্যেও তেল রপ্তানি বেড়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে। পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান মুসা আহমাদি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেল রপ্তানি কমার পরিবর্তে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মার্কিন হুমকি ও ইরানের প্রতিক্রিয়া

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে দ্রুত চুক্তি না হলে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু না করা হলে তিনি খার্গ দ্বীপটি ধ্বংস করে দিতে পারেন। তবে গত ১৩ মার্চ মার্কিন বোমা হামলায় দ্বীপটির তেল অবকাঠামো আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি বলে যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে।

ইরানের কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ইরানের কোনো একটি দ্বীপকে লক্ষ্য করে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে। এই সতর্কতার মধ্যেই গত সপ্তাহে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেরিন ও নাবিক বহনকারী উভচর হামলা জাহাজ ‘ইউএসএস ট্রিপোলি’ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খার্গ দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্ব

ইরানের পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ দেশটির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই দ্বীপটি ইরানের অর্থনৈতিক প্রবাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে।

মুসা আহমাদি তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেছেন, ‘খার্গ দ্বীপে সফর ও বৈঠক শেষে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, সাম্প্রতিক সময়ে তেল রপ্তানি কোনোভাবেই কমেনি, বরং তা ক্রমাগত বাড়ছে।’ এই বিবৃতি ইরানের জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতি ইঙ্গিত করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইরানের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবেশে দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য দিক। তবে মার্কিন হুমকি ও সামরিক উপস্থিতি এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে রেখেছে।