বাজারে স্বর্ণের দাম পুনরায় হ্রাস: ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬,৫৯০ টাকা কম
স্বর্ণের দাম পুনরায় হ্রাস, ২২ ক্যারেটে ৬,৫৯০ টাকা কম

বাজারে স্বর্ণের দাম পুনরায় হ্রাস: ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬,৫৯০ টাকা কম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সুখবর বয়ে এনেছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এই মূল্য সমন্বয় স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার তারিখ ও প্রক্রিয়া

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, যা বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে।

বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি গ্রাম ২০ হাজার ১৩৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রাম ১৯ হাজার ২২০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রাম ১৬ হাজার ৪৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি গ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪১৫ টাকা, যা ঐতিহ্যবাহী ক্রেতাদের জন্য সহজলভ্যতা বাড়াতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রুপার দামেও পরিবর্তন

বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট রুপার মূল্য প্রতি গ্রাম ৪৬০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপা ৩৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম প্রতি গ্রাম ৪২৮ টাকা, যা রুপার বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দাম কার্যকর থাকার সময়সীমা ও ভ্যাট নির্দেশনা

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। এছাড়া ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে, যা রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই পদক্ষেপ বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।