বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো: ২২ ক্যারেটে ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি হ্রাস
স্বর্ণের দাম কমলো: ২২ ক্যারেটে ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি হ্রাস

বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো: ২২ ক্যারেটে ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি হ্রাস

দেশের স্বর্ণ বাজারে নতুন করে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি কমানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর বয়ে আনতে পারে।

নতুন দাম নির্ধারণ

বাজুসের সর্বশেষ ঘোষণা অনুসারে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৭ টাকা। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা। ফলে, ভরিতে দাম কমেছে ২ হাজার ১৫৯ টাকা, যা একটি উল্লেখযোগ্য হ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৫ টাকা। আগে এ মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, অর্থাৎ এখানেও দাম কমেছে ২ হাজার ১০০ টাকা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া

শুক্রবার (১৩ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষাপটে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়, যা একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বিস্তারিত দামের তালিকা

নতুন দামের তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নিম্নরূপ:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণ: প্রতি গ্রাম ২২ হাজার ৭১৫ টাকা।
  • ২১ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণ: প্রতি গ্রাম ২১ হাজার ৬৮০ টাকা।
  • ১৮ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণ: প্রতি গ্রাম ১৮ হাজার ৫৮৫ টাকা।
  • সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ: প্রতি গ্রাম ১৫ হাজার ১৭০ টাকা।

বাজুস আরও জানায়, নতুন সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে, যা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

ভ্যাট সংক্রান্ত নির্দেশনা

এছাড়া, স্বর্ণ ও রুপার অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপটি রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে, যা বাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে।