আজ রোববার দুপুরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি)। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলের কারসাজির পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য-উপাত্ত বিবিএসকেই পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে। তিনি জানান, পরিসংখ্যানের সবকিছু ‘ফরেনসিক রিভিউ’ চলছে।
পরিসংখ্যানে নির্ভুলতা নিশ্চিতের নির্দেশ
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা নির্ভুল তথ্য-উপাত্ত চাই। কোনো পরিসংখ্যান কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রাখতে চাই না। বরং প্রকৃত অবস্থা জানতে চাই। তাই কোনো কারসাজি যেন না হয়, সে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূল্যস্ফীতি কীভাবে গণনা করা হয়, তা–ও আমরা খতিয়ে দেখব।’
প্রকল্প অগ্রগতি ও সময়-ব্যয় বৃদ্ধি
প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, ৬০-৭০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে—এমন প্রকল্পের পর্যালোচনা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মসূচির আওতায় একগুচ্ছ সমজাতীয় প্রকল্প নেওয়া হতে পারে। প্রকল্পের সময় কিংবা খরচ বৃদ্ধির দায় নিতে হবে প্রকল্প পরিচালকদের—প্রধানমন্ত্রী এমন স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রকল্প পরিচালকদের পুল তৈরির নীতিমালা হচ্ছে।
বাজেটে প্রান্তিক মানুষের অগ্রাধিকার
এবারের বাজেটে প্রান্তিক মানুষের উন্নতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বেশি দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবেন। ব্যাংক ও আর্থিক খাতের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। একটি আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি নীতি তৈরির চেষ্টা চলছে।



