ঈশ্বরদীতে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত থাকায় খামারিরা গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। ঈদুল আজহা临近, কিন্তু বিক্রি নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। স্থানীয় খামারিরা জানান, এবার পশুর সংখ্যা অনেক বেশি, কিন্তু ক্রেতা কম। ফলে দামও কমে যেতে পারে। অনেক খামারি ইতোমধ্যে লোকসানের মুখে পড়েছেন।
খামারিদের উদ্বেগ
খামারি সমিতির সভাপতি বলেন, 'গতবারের তুলনায় এবার পশুর সংখ্যা দ্বিগুণ। কিন্তু চাহিদা সেই অনুপাতে বাড়েনি। আমরা ক্ষতির আশঙ্কা করছি।' তিনি আরও বলেন, 'যদি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়া যায়, তাহলে অনেক খামারি ঋণের বোঝায় জর্জরিত হবেন।'
বিক্রির কৌশল
খামারিরা এখন বিক্রির জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। অনেকে কম দামে পশু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পশু পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। তবে সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও পরিস্থিতি আশানুরূপ নয়।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা খামারিদের সহায়তার জন্য কাজ করছে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনা ও ক্রেতা সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।



