বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯.৫২ বিলিয়ন
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ হাজার ২২১ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা প্রায় ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য। সোমবার (১৬ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট রিজার্ভ ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫২৮ দশমিক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এই পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

পূর্ববর্তী রিজার্ভের তুলনামূলক বিশ্লেষণ

এর আগে গত ১১ মার্চ দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান পরিসংখ্যানের তুলনায় সামান্য বেশি। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার, যা বর্তমান নিট রিজার্ভের চেয়ে কিছুটা উচ্চতর। এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক প্রবণতা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার গতিশীলতাকে প্রতিফলিত করে।

বিপিএম-৬ পদ্ধতির মাধ্যমে রিজার্ভ হিসাব করলে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দেওয়া হয়, ফলে মোট রিজার্ভ থেকে এই দায় বিয়োগ করার পর যে পরিমাণ অবশিষ্ট থাকে, সেটিই নিট রিজার্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।