দেশে ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিংয়ের কারণে মোমবাতির চাহিদা ও উৎপাদন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। মোমবাতি তৈরির কারখানাগুলোতে এখন দিনরাত চলছে উৎপাদন। শ্রমিকরা নিপুণ দক্ষতা ও শ্রম দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মোমবাতি তৈরি করছেন।
মোমবাতি তৈরির প্রক্রিয়া
মোমবাতি তৈরির প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেই প্রয়োজন নিপুণ দক্ষতা। প্রথমে ধাতব ছাঁচে ঢাকার জন্য গলিত প্যারাফিন জগে ভরা হয়। এরপর নির্দিষ্ট তাপমাত্রার গলিত প্যারাফিন ধাতব ছাঁচে ঢালা হয়। এই ধাপের ওপরই নির্ভর করে মোমবাতির মান ও নিখুঁত গঠন।
সলতে স্থাপন
ধাতব ছাঁচের মাঝখানে সুতা বসানো হয়, যা পরে মোমবাতির সলতে হিসেবে কাজ করে। এরপর ছাঁচ থেকে বের করার পর মোমবাতি বাছাই করা হয় এবং প্যাকেটজাত করার জন্য বক্সে রাখা হয়।
মান যাচাই
ছাঁচ থেকে সদ্য বের করা মোমবাতির মান যাচাই করা হয়। বাজারজাত করার আগে চলে চুলচেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর জন্য প্যাকেটজাত করা হয়।
লোডশেডিং বাড়ায় মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে, যা উৎপাদনকেও ত্বরান্বিত করেছে।



