টেকনাফে এক ট্রলারে ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, বিক্রি ৩৩ লাখ টাকায়
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ১০১ মণ ইলিশ। এসব মাছ এক ট্রলারে ধরা পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকালে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে মাছগুলো আনা হলে প্রায় ৩৩ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
জেলেদের বর্ণনা
স্থানীয় জেলে নুরুল ইসলাম মাঝি জানান, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ১৫ জেলে নিয়ে একটি ট্রলার সেন্টমার্টিন-সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরতে যায়। শুরুতে মাছ না পেলেও রোববার ভোরে তাদের জালে প্রায় ১০১ মণ ইলিশ ধরা পড়ে। একইদিন বিকালে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে আনা হলে স্থানীয় আড়তে নিলামের মাধ্যমে ৩৩ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
ট্রলারের মালিকানা
ট্রলারটি স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালামের মালিকানাধীন ‘এফবি দ্বীপ’ নামে পরিচিত। এই ট্রলারটি নিয়মিত মৎস্য আহরণে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে।
মৎস্য অফিসের বক্তব্য
উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা শহিদুল আলম বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় ইলিশের প্রজনন ও আকার দুটোই বেড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই নিষেধাজ্ঞা মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা জেলেদের জন্য বড় ধরনের আয় বয়ে আনছে।
অর্থনৈতিক প্রভাব
এই ধরনের বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। জেলেরা তাদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি, স্থানীয় বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় ভোক্তারাও উপকৃত হচ্ছেন।
টেকনাফ এলাকায় ইলিশ আহরণের এই ঘটনা মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে সরকারি নীতির সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়মিত নিষেধাজ্ঞা ও পর্যবেক্ষণ চালু রাখলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।



