প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা: ২৭.৫ মিলিয়ন কৃষকের জন্য আসছে কৃষক কার্ড
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সংসদে ঘোষণা করেছেন যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২৭.৫ মিলিয়ন কৃষককে কৃষক কার্ড সিস্টেমের আওতায় আনা হবে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে এ কথা বলেন, যা কৃষি খাতে একটি বড় সংস্কারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পাইলট প্রকল্পের সূচনা পহেলা বৈশাখে
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে ইতিমধ্যে একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২২,০০০ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি পহেলা বৈশাখ থেকে দেশের ১০টি জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা ইন শা আল্লাহ ১৪ তারিখে, পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড চালু করতে যাচ্ছি। এই পাইলট প্রোগ্রামের অধীনে ইতিমধ্যে প্রায় ২২,০০০ কৃষককে আনা হয়েছে।"
সরকারের লক্ষ্য: সকল কৃষকের কাছে পৌঁছানো
তারেক রহমান আরও যোগ করেন, "সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রায় ২৭.৫ মিলিয়ন কৃষক আছেন, প্লাস বা মাইনাস কিছু। ইন শা আল্লাহ, আগামী কয়েক বছরে আমরা চেষ্টা করব, এবং আমাদের সরকারের পরিকল্পনা হলো সকল কৃষকের কাছে পৌঁছানো।" এই উদ্যোগটি কৃষি ক্ষেত্রে ডিজিটাল রূপান্তর এবং কৃষকদের আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আর্থিক সুবিধা ও বাজেট বরাদ্দ
একজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে কৃষক কার্ডের আওতায় প্রতিটি সুবিধাভোগী বছরে ২,৫০০ টাকা পাবেন, অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা প্রদান করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রতি বছর বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে কার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এই পদক্ষেপটি কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে পারে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগটি কৃষকদের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।



