২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ১২০৪ কিলোমিটার খাল খনন ও ১৫০০ কিলোমিটার পুনঃখননের পরিকল্পনা
চলতি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন করার। একই সময়ে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সংসদে মন্ত্রীর জবাব
বুধবার (১ মার্চ) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এ তথ্য দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, "দেশের কৃষি, সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে চলতি অর্থ বছরের অবশিষ্ট সময়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় মোট ৩১৮ দশমিক ৬৩৯ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে।"
সরকারের কর্মসূচির বাস্তবায়ন
উল্লেখ্য, গত ১৬-০৩-২০২৬ প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করেন।
মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, "আমি অবগত করছি, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় ১২০৪ কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখনন করবে।"
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টিআর (টেস্ট রিলিফ) এর মাধ্যমে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন/সংস্কার করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
মন্ত্রী আরও জানান, পরবর্তী সময়ে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখনন করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নতুন এবং চলমান প্রকল্পের আওতায় অবশিষ্ট খাল খনন/পুনঃখনন সম্পন্ন করবে।
এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এই উদ্যোগ জলাবদ্ধতা কমাতে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



