পাবনার সাঁথিয়ায় শত্রুতার বলি কৃষকের শবরি কলা বাগান, কাটা পড়ল ১ হাজার গাছ
পাবনায় শত্রুতায় কৃষকের কলা বাগান ধ্বংস, কাটা ১ হাজার গাছ

পাবনার সাঁথিয়ায় শত্রুতার বলি কৃষকের শবরি কলা বাগান

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক কৃষকের প্রায় ১ হাজার শবরি কলা গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২১ মার্চ) রাতে, সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের পুস্পপাড়া গ্রামে। ভুক্তভোগী হাফিজুল ইসলাম (২৮) নামের এক কৃষক, যিনি পুষ্পপাড়া গ্রামের হাকিম খাঁর ছেলে হিসেবে পরিচিত।

কলা বাগানে ধ্বংসযজ্ঞের বিস্তারিত

হাফিজুল ইসলামের ৫০ শতাংশ জমির পাশে ক্যানালপাড়ে অবস্থিত এই শবরি কলা বাগানে প্রায় এক হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছিল। দুর্বৃত্তরা রাতের অন্ধকারে এসে এই গাছগুলো কেটে ফেলে, যা কৃষকের কঠোর পরিশ্রম ও বিনিয়োগকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার পেছনে পূর্ব শত্রুতাই মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে, যদিও এখনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

কৃষি বিভাগ ও পুলিশের তদন্ত

কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীকে প্রণোদনা বা বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং কৃষকের ক্ষতি পূরণে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শোনার পর পুলিশের মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে যায়। তবে, কৃষকসহ কেউই অপরাধীদের সনাক্ত করতে পারেননি। ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, "আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।"

স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও কৃষক সম্প্রদায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। অনেকেই মনে করছেন, শত্রুতার কারণে কৃষকের জীবিকা ধ্বংস করা অমানবিক ও অগ্রহণযোগ্য, যা সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনা কৃষি খাতের নিরাপত্তা ও কৃষকদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে যেখানে শত্রুতা ও সংঘাত মাঝেমধ্যে সহিংস রূপ নেয়। কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।