যুদ্ধের প্রভাব সত্ত্বেও দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত: মন্ত্রী
বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব থাকলেও বাংলাদেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, আগামী জুন-জুলাই মাস পর্যন্ত দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে, যা জনগণের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।
কুমিল্লায় চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর বক্তব্য
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিমপুর গ্রামে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের প্রভাব পড়বে, তবে এতে আমাদের দেশে খাদ্যের কোনো সংকট হবে না। আমরা যে পরিমাণ খাদ্য আমদানি করি, তার চেয়ে বেশি উৎপাদন করি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে ইতোমধ্যে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।
খাদ্য আমদানি ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ
আমিন উর রশীদ ইয়াছিন জানান, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত চাল গুণগত মান যাচাই ছাড়া উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে না। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের মান নিশ্চিত করা যায়।
তিনি বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে খাদ্য মজুদ বৃদ্ধি এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়ানো অন্যতম।” মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং ভবিষ্যতের জন্য পর্যাপ্ত পরিকল্পনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় মন্ত্রী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সাফল্য এবং গ্রামীণ পর্যায়ে খাদ্য বিতরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছে।
