২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা খনন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
বর্তমান সরকারের একটি বড় প্রকল্প হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে জারি করা এক পত্রের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় কর্মসূচি শুরু
প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই ব্যাপক কর্মসূচি শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় একটি খাল খননের মাধ্যমে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।
একই দিনে আরও ৫৩টি জেলায় মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যরা এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব
এই কর্মসূচি কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এছাড়াও, গ্রামীণ জনগণের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই প্রকল্পের ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে। এটি খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে, যা পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে।
দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা
এই কর্মসূচি শুধুমাত্র কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, বরং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হবে এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
