রংপুরে কৃষিবিদদের ইফতার মাহফিলে শহীদ জিয়ার মাগফেরাত কামনা
রমজানের পবিত্র মাস উপলক্ষে রংপুর অঞ্চলের জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদদের উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) রংপুরের বিভিন্ন স্তরের কৃষিবিদ ও পেশাজীবীরা এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন, যা পবিত্র মাহে রমজানের প্রেক্ষাপটে আয়োজন করা হয়েছিল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি বিপ্লবের স্মরণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লবের সূচনা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠনে শহীদ জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। ড. ইসলাম শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার পরকালীন শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন, যা অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা ও কৃষিবিদদের আহ্বান
ড. রাশেদুল ইসলাম তার বক্তৃতায় বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষভাবে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে প্রবর্তিত 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা নিশ্চিত করতে 'কৃষক কার্ড' চালুর সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী বলে অভিহিত করেন। উপাচার্য উল্লেখ করেন যে, এই ডিজিটাল ব্যবস্থাগুলো চালুর ফলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এখানে কৃষিবিদদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশ পুনর্গঠনের এই মহাযজ্ঞে কৃষিবিদদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ সফল করতে তিনি সকল পর্যায়ের কৃষিবিদদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়, যা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।
এই ইফতার মাহফিলটি রংপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও আধ্যাত্মিকতা বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে অতীতের অবদানকে স্মরণ করে ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনাও আলোচিত হয়েছে।
