চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চার জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। তাদের মধ্যে ১০-১২ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ।
দুর্ঘটনার বিবরণ
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামমুখী মারসা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী একই কোম্পানির অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কক্সবাজারগামী বাসটি সড়কের পূর্ব পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। সংঘর্ষে বাস দুটির সামনের অংশ ভেঙেচুরে যায়।
নিহত ও আহতদের তথ্য
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি পটিয়া উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামের বদিউল আলমের স্ত্রী রেহানা বেগম (৬০)। দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন আরও তিন জনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।’
লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারের ইনচার্জ মো. ওসমান বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। তাদের মধ্যে তিন জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত তিন জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।'
যানজট ও উদ্ধার কার্যক্রম
এদিকে, দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।



