পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে চারজনের মৃত্যু, নিহত ৩৫ গরু
পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে চারজনের মৃত্যু, নিহত ৩৫ গরু

পটুয়াখালীতে বজ্রাঘাতে এক নারীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় এ চার জনের মৃত্যু হয়। তারা সবাই কৃষিকাজে জড়িত। ঘটনার সময় খোলা মাঠে অবস্থান করেছিলেন।

মৃতদের পরিচয় ও ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় জহির উদ্দিনের (২৮) মৃত্যু হয়। দুপুর ২টার দিকে মাঠে গরুকে ঘাস খাওয়াতে যাওয়ার সময় পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামের সেতারা বেগমের (৫৫) মৃত্যু হয়। একই সময় মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শান্তিপুর গ্রামের খালেক হাওলাদারের (৫৫) মৃত্যু হয়। সকাল ৯টার দিকে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামের সৌরভ মজুমদারের (২২) মৃত্যু হয়।

গরুর মৃত্যু ও কৃষকদের ক্ষতি

গত দুই দিনে কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৩৫টি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বজ্রাঘাতে এত বেশি গরুর মৃত্যু আগে ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষক রুহুল আমিন খান বলেন, ‘দুপুরে মাঠে বেঁধে রাখা গরুটা বজ্রাঘাতে মারা যায়। এতে আমার প্রায় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বক্তব্য

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সকালে উপজেলায় বজ্রাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।’ কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বজ্রাঘাতে উপজেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বাড়িতে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।’ কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘মঙ্গলবার বজ্রাঘাতে খামারিসহ ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাতে ২৯টি গরু মারা যাওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে অনেক কৃষক গরু মারা যাওয়ার খবর আমাদের জানাননি। মৃত গরুর সংখ্যা অন্তত ৩৫টি হবে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ