ঈদুল আজহার ছুটি শেষে পোশাক কারখানা খোলাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ-যমুনা সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে যমুনা সেতু এলাকায় রাতভর তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। শুধু একদিনেই যমুনা সেতুতে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ২৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ছয়টি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরাতে রেকারের সহায়তা নিতে হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে কখনও সেতুর একটি, আবার কখনও দুটি লেনই সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। ফলে সেতুর উভয় প্রান্তে দীর্ঘ যানজট ও চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে যানজট কাটিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
শুক্রবারের যানজট ও দুর্ঘটনা
শুক্রবার সকাল থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়ের সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। বিকালের দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও রাত ৯টার দিকে সেতুর ওপর দুটি বাসের সংঘর্ষে একজন নিহত হন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর আবারও সেতুর পশ্চিম পাড়ে প্রায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার পরিস্থিতির উন্নতি
পরে শনিবার সকালে প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজট থাকলেও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বর্তমানে যমুনা সেতু পশ্চিম পাড়সহ সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং সড়ক অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে।
পুলিশের বিবৃতি
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘দুই দিনের যানজটে যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তি হয়েছে। তবে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।’



