তিস্তা প্রকল্প অনুমোদন বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন পেলেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী
তিস্তা প্রকল্প অনুমোদন বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন পেলেই: মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী শাহিদ উদ্দিন চৌধুরী এনী শনিবার বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সরকার তিস্তা মেগা প্রকল্প অনুমোদন করবে।

তিনি বলেন, 'আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছি এবং আরও বেশি পরামর্শ নেব। বিশেষজ্ঞ দল যখন তিস্তা মেগা প্রকল্প কীভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত সে বিষয়ে তাদের মতামত দেবে, তখনই আমরা জাতীয় স্বার্থে এটি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।'

জাতীয় নদী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেসরকারি সংস্থা 'নংগর ট্রাস্ট' আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, প্রকল্প অনুমোদনের আগে তার মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করেছে এবং আরও আলোচনা চালিয়ে যাবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এনী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান নির্বাচনের আগে ও পরে বারবার তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রকল্পটি সতর্কতার সঙ্গে ও দায়িত্বশীলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, 'তিস্তা প্রকল্পে ইচ্ছামতো কিছু করা যাবে না। আমরা যা করব, তিস্তা অববাহিকা, আশপাশের জেলা এবং সমগ্র দেশের জনগণের কথা বিবেচনা করেই করব।'

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ এবং দেশের ভাগ্য নদীর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে।' তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১,৪১৫টি ছোট-বড় নদী রয়েছে, যার প্রতিটিকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

পানিসম্পদ মন্ত্রী নদী ব্যবস্থাপনায় জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। খনন কাজের পাশাপাশি সরকার খাল ও নদী দখল ও দূষণ রোধে পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সম্প্রতি অনুমোদিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প প্রসঙ্গে এনী বলেন, ব্যারাজ নির্মাণ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ২৪টি জেলায় জীবিকা, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করবে, কারণ প্রকল্পটি এসব অঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনবে।

আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন (মাদারীপুর-৩) ও বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক মঞ্জুরুল কিবরিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন নংগর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সুমন শামস।