নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের ৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
নতুন পে স্কেল দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের ৬ দিনের কর্মসূচি

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৬ দিনের কর্মসূচি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী ৬ দিনের ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সংগঠনটির আহ্বায়ক আব্দুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

পে স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘদিনের দাবি

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল বাস্তবায়নের পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে নতুন কোনো পে স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা খরচ, গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের মূল্য অস্বাভাবিক ও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জরুরি দাবি

সংগঠনের নেতারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি ও অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তারা আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই খাতে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘোষিত কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ

ঘোষিত ৬ দিনের কর্মসূচিতে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ৫ থেকে ৯ এপ্রিল: দেশের প্রতিটি জেলা শহরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।
  • ১০ এপ্রিল: উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে শান্তিপূর্ণ আলোচনা সভা এবং প্রতিনিধি সমাবেশের আয়োজন করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ কামনা করছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।