প্রতি বছর বাংলাদেশের চাকরির বাজারে যোগ হচ্ছে ১৩.৬ লাখ নতুন কর্মক্ষম মানুষ
প্রতি বছর চাকরির বাজারে যোগ হচ্ছে ১৩.৬ লাখ মানুষ

বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী মানুষ চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার সংসদে এই চমকপ্রদ তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য উল্লেখ করে এই পরিসংখ্যান দিয়েছেন।

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রীর বক্তব্য

মন্ত্রী সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ট্রেজারি বেঞ্চের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২) এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক বাস্তবায়িত "শ্রমশক্তি জরিপের মাধ্যমে শ্রমবাজার তথ্য উন্নয়ন" শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে সর্বশেষ এই জরিপটি পরিচালিত হয়েছে।

২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপের মূল ফলাফল

এই জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তি—যাকে ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী কর্মরত ও বেকার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে—বর্তমানে ৭ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার। মন্ত্রী বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বলেন, এই বিশাল সংখ্যার মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার, আর নারী রয়েছেন ২ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পরবর্তী জরিপ

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে আরও জানান যে, পরিকল্পনা কমিশনে বর্তমানে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই প্রস্তাবনার মূল লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালে পরবর্তী শ্রমশক্তি জরিপ পরিচালনা করা। এই উদ্যোগটি দেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজারের গতিশীলতা ও চাহিদা সম্পর্কে সময়োপযোগী ও নির্ভুল তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর এই বক্তব্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও কর্মসংস্থান নীতিতে শ্রমবাজার তথ্যের গুরুত্বকে আরও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে। দেশের যুবশক্তির এই বিশাল প্রবাহ সামাল দিতে কার্যকরী পদক্ষেপ ও নীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ