প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাheshkhali-এর এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট প্রতি দিন (এমএমসিএফডি) কমে যাওয়ায় তিতাস গ্যাসের অধীন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাheshkhali এলএনজি টার্মিনাল থেকে আরএলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করেছে।
গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ও এর প্রভাব
কোম্পানিটি বলেছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই বিঘ্ন তার ফ্র্যাঞ্চাইজ এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের প্রভাবিত করতে পারে। তিতাস গ্যাস গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য ক্ষমা চেয়েছে।
তিতাস গ্যাসের ফ্র্যাঞ্চাইজ এলাকায় রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রান্না, শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়
তিতাস গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে সে বিষয়ে কোনো সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
এদিকে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় গ্যাস ব্যবহার এড়াতে এবং জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



