বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে বৃদ্ধি, বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে বৃদ্ধি, বিরোধী দলের সমালোচনা

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে বৃদ্ধি, বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তকে 'দুঃখজনক' ও সাধারণ মানুষের জন্য 'মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা' বলে অভিহিত করেন।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট

ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে লিখেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষ এমনিতেই জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। জনজীবনে যখন নাভিশ্বাস ওঠার দশা, ঠিক সেই মুহূর্তে দর সমন্বয়ের অজুহাতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি মানুষের সংকটকে আরও চরম পর্যায়ে নিয়ে যাবে।

বিশ্ববাজার ও দেশীয় বাজারের বৈপরীত্য

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যেখানে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, সেখানে দেশের বাজারে এই মূল্য বৃদ্ধি কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন ভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের কষ্টকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই মূল্য বৃদ্ধি শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর প্রভাব পুরো অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়বে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষি ও শিল্প পণ্যের দাম বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের কাঁধে চাপবে।

সরকারের সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য প্রভাব

ডা. শফিকুর রহমানের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের আর্থিক সংকটকে আরও তীব্র করবে। তিনি দাবি করেন যে, বিশ্ববাজারের প্রবণতা বিবেচনা না করে স্থানীয়ভাবে দাম বাড়ানো একটি অযৌক্তিক পদক্ষেপ, যা জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই পরিস্থিতিতে, তিনি সরকারকে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।