এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ন্ত্রণে জোরদার উদ্যোগ: সরকারি মূল্যে বিক্রির আহ্বান
দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগের পর বাজার নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি ও বাজার তদারকি
সংগঠনটির সভাপতি আমিরুল হক বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭ এপ্রিল পাঠানো চিঠিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ইতোমধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং জেলা প্রশাসকদের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের নৈতিক দায়িত্ব ও আহ্বান
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এ সময়ে জনদুর্ভোগ কমানো ব্যবসায়ীদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
সবশেষে, গত ২ এপ্রিল এলপিজির দাম বাড়ায় বিইআরসি। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে বাজার তদারকি জোরদার করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে নিয়মিত মনিটরিং ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে।



