নোয়াখালীতে বাড়ির ছাদে পানির ট্যাংকে ৭৫০ লিটার ডিজেল মজুত, জব্দ ও জরিমানা
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় একটি বাড়ির ছাদের পানির ট্যাংকে ৭৫০ লিটার ডিজেল মজুত রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে ডিজেল জব্দ করা হয়েছে এবং বাড়ির মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ
সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের হাসানহাট এলাকার বাসিন্দা ও ফিশিংবোট ব্যবসায়ী বসির সারেং-এর বাড়িতে জ্বালানি তেল মজুত রাখার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালায়। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযানে দেখা যায়, বসির সারেংয়ের বাড়ির ছাদের পানির ট্যাংকে ঢাকনা খুলতেই সেখানে ৭৫০ লিটার ডিজেল মজুত করে রাখা হয়েছে। ইউএনও আকিব ওসমান জানান, জ্বালানি তেলের চলমান সংকটে নিজেকে ভুক্তভোগী না হওয়ার লক্ষ্যে বসির সারেং এই ডিজেল মজুত করেছিলেন।
আইনি ব্যবস্থা ও ফলাফল
ইউএনও আকিব ওসমান প্রথম আলোকে বলেন, "আইন অনুযায়ী বর্তমান সময়ে তিনি এভাবে তেল মজুত রাখতে পারেন না। তাই এসব ডিজেল জব্দ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।"
এই ঘটনা জ্বালানি সংকটের সময়ে অনৈতিক মজুতদারির একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের দ্রুত পদক্ষেপে ডিজেল জব্দ ও জরিমানা কার্যকর করা হয়েছে, যা অন্যান্য সম্ভাব্য মজুতদারদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।
নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলায় এই ধরনের অভিযান জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রোধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে, এবং অনেকেই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি নীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন।



