বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াটে, জ্বালানি সরবরাহে চাপ
বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াটে

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াটে উন্নীত

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মোট সক্ষমতা বর্তমানে ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াট অর্জন করেছে। এর মধ্যে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

দৈনিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিসংখ্যান

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রতিদিন গড়ে ১৪ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এই তথ্য বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে।

জ্বালানি সরবরাহে চাপ ও প্যানিক বায়িং

কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপিদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জ্বালানি সরবরাহের বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিটি পাম্পে যে পরিমাণ তেল প্রতিদিন দেওয়ার কথা সেই পরিমাণ তেল পাম্পগুলোতে সাপ্লাই করা হচ্ছে। কিন্তু ইরান যুদ্ধের পর থেকে হঠাৎ করে বিক্রি বেড়ে গেছে। বিক্রি বেড়ে যাওয়ার ফলে পেট্রল পাম্পে যে পরিমাণে তেল বিক্রি হতে দেড় দিন লাগতো, সে পরিমাণ তেল এখন দুই ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে যায়। সেজন্য মানুষের মধ্যে প্যানিক বায়িং শুরু হয়েছে। লাইন দেখা যায় কিন্তু পেট্রল সাপ্লাই হয় না এটা ঠিক না পেট্রল প্রতিদিন সরবরাহ করা হয়।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই পরিস্থিতি ইরান যুদ্ধের প্রভাব ও জ্বালানি চাহিদার বৃদ্ধি নির্দেশ করে। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে মন্ত্রী জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংসদীয় অধিবেশনে আলোচনা

এই তথ্য ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপিত হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের নীতিমালা ও বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করা হয়েছে এই অধিবেশনে।