সিলেটে জ্বালানি স্টেশনের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট, চার জেলার সব পাম্প বন্ধ
সিলেটে জ্বালানি স্টেশনের ধর্মঘট, চার জেলার সব পাম্প বন্ধ

সিলেটে জ্বালানি স্টেশনের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু

সিলেট বিভাগের চার জেলার সব পেট্রোল পাম্প, সিএনজি স্টেশন, এলপিজি আউটলেট ও ডিজেল বিক্রয় কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাম্প মালিকরা অভিযোগ করছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের হয়রানি ও জরিমানা করা হচ্ছে।

ধর্মঘটের ঘোষণা ও সময়সূচি

বুধবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে। পাম্প মালিকদের সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, এই ধর্মঘট অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে। তিনি বলেন, "আমরা ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই, কিন্তু প্রশাসন যদি আমাদের হয়রানি বন্ধ না করে এবং আটক মালিককে মুক্তি না দেয়, তাহলে এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।"

ধর্মঘটের কারণ ও পাম্প মালিকদের অভিযোগ

পাম্প মালিকদের প্রধান অভিযোগ হলো, তারা অযৌক্তিকভাবে হয়রানি ও জরিমানার শিকার হচ্ছেন। ব্যারিস্টার আদনান বলেন, একজন পাম্প মালিককে আটক করা হয়েছে, যিনি চারটি পাম্পের মালিক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি একটি গাড়ির জন্য সরবরাহ করা জ্বালানি একাধিক আউটলেটে বিক্রি করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, "রাতে তাকে আটকের খবর পেয়ে পাম্প মালিকরা মোগলাবাজার থানায় যান। আমরা মনে করি, এটি একটি লক্ষ্যবস্তু করে করা হয়রানি।" পাম্প মালিকরা দাবি করেন, রেইডের সময় বৈধ কারণ ছাড়াই তাদের উপর অতিরিক্ত জরিমানা চাপানো হচ্ছে।

ধর্মঘটের প্রভাব ও বর্তমান অবস্থা

এই ধর্মঘটের ফলে সিলেট বিভাগের চার জেলায় জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ ও যানবাহন মালিকরা জ্বালানি সংকটে পড়তে পারেন। পাম্প মালিকদের সংগঠন বলছে, তারা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করতে প্রস্তুত, কিন্তু হয়রানি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট তুলবেন না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এই ধর্মঘট দীর্ঘায়িত হলে পরিবহন ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাম্প মালিকরা তাদের দাবি আদায়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছেন।