সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক
সিলেটে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট স্থগিত, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক

সিলেটে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক

সিলেট বিভাগে পেট্রোল পাম্প মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় সৃষ্ট অনিশ্চয়তা কাটিয়ে পাম্পগুলো আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ধর্মঘট স্থগিতের কারণ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আদনান জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত ধর্মঘট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে পাম্প মালিকদের দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। এই ধর্মঘটের পেছনে মূল কারণ ছিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, যা পাম্প মালিকরা অস্বীকার করে হঠাৎ তেল ও গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেন।

জ্বালানি সংকট ও পরিবহন অচলাবস্থার শঙ্কা

ধর্মঘটের ঘোষণার পর সিলেটজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয় এবং পরিবহন খাতে অচলাবস্থার শঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতেই প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা উদ্যোগ নেন। রাত দেড়টার দিকে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম পাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জরুরি বৈঠকের বিবরণ ও ফলাফল

বৈঠকটি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার এলাকায় অবস্থিত মেঘনা অয়েল ডিপোতে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। আলোচনা শেষে ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে, যা সিলেটের জ্বালানি সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন, কারণ ধর্মঘট দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারত।