সিলেটে সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ, জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা
সিলেটে সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ, জ্বালানি সংকট

সিলেটে সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ, জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

প্রশাসনের অযথা হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে সিলেট বিভাগের সব পেট্রোল পাম্পে অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল ও তরল গ্যাস (সিএনজি) বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছেন পাম্প মালিকরা। এ সিদ্ধান্তের ফলে পুরো বিভাগজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পরিবহণ খাতে অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

কেন বন্ধ ঘোষণা করা হলো?

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতারা এ ঘোষণা দেন। পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া উপেক্ষিত থাকায় তারা বাধ্য হয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সেক্রেটারি হুমায়ূন আহমেদ বলেন, "পাম্প মালিকরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরিমানার আড়ালে চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দাবি উপেক্ষিত থাকায় ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বাধ্য হয়ে বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কী হতে পারে পরিণতি?

আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে সিলেটজুড়ে পরিবহণ খাতে অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। পাম্প মালিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, দ্রুত সমাধান না হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

পাম্প মালিকদের সংগঠন দাবি করেছে যে, তাদের প্রধান অভিযোগগুলো হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • প্রশাসনের পক্ষ থেকে অযৌক্তিক জরিমানা ও চাঁদাবাজি
  • দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাগুলোর প্রতি কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা
  • জ্বালানি নীতিতে অসঙ্গতি ও স্বচ্ছতার অভাব

হুমায়ূন আহমেদ আরও যোগ করেন, "আমাদের দাবি না পূরণ হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছি।" এখন অপেক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও আলোচনার, যাতে করে বিভাগের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।