সিলেটে জ্বালানি ধর্মঘট: প্রশাসনের হয়রানি ও জরিমানার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
সিলেটে জ্বালানি ধর্মঘট: প্রশাসনের হয়রানির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

সিলেটে জ্বালানি ধর্মঘট: প্রশাসনের হয়রানি ও জরিমানার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

সিলেট বিভাগে জ্বালানি খাতের ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডেকেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যমূলক হয়রানি ও মোটা অংকের জরিমানার প্রতিবাদে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। বিভাগের চার জেলায় সব সিএনজি স্টেশন, এলপিজি, পেট্রল পাম্প এবং ডিজেল বিক্রয় কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ধর্মঘটের ঘোষণা ও কারণ

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে আকস্মিকভাবে এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়। পাম্প মালিকদের সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, একজন মালিকের চারটি পাম্প রয়েছে। তিনি গতকাল এক গাড়ি জ্বালানি তেল পান এবং ওই তেল চারটি পাম্পের মাধ্যমে বিক্রি করেন। কিন্তু, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে রাতে আটক করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, 'আমরা সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবসা করতে চাই, কিন্তু প্রশাসনের উদ্দেশ্যমূলক হয়রানি বন্ধ না হওয়া এবং ওই মালিককে ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই ধর্মঘট চলবে।' পাম্প মালিকদের দাবি, কোনও যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বিভিন্ন অভিযানে মোটা অংকের জরিমানা এবং ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধর্মঘটের প্রভাব ও ব্যবসায়ীদের অবস্থান

এই ধর্মঘটের ফলে সিলেট বিভাগের জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটতে পারে। পাম্প মালিকরা মোগলাবাজার থানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারা জোর দিয়ে বলেছেন, প্রশাসনের হয়রানি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

ব্যবসায়ীরা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, নির্বিচারে জরিমানা ও আটকের ঘটনা বন্ধ করতে হবে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এমন পরিবেশে জ্বালানি খাতের ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আগামী পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য সমাধান

ধর্মঘটকারীরা প্রশাসনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন। তবে, এখন পর্যন্ত কোনও অগ্রগতি হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন মালিকরা জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে, জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।