জ্বালানি সংকটে পেট্রোল পাম্প মালিকদের আহ্বান: আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরুন
জ্বালানি সংকটে পাম্প মালিকদের আহ্বান: আতঙ্কিত না হন

জ্বালানি সংকটে পেট্রোল পাম্প মালিকদের জরুরি আহ্বান: আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরুন

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার জরুরি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এই অনুরোধটি ব্যক্ত করেছেন।

পাম্পে উপচে পড়া ভিড় অনভিপ্রেত

বিবৃতিতে সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য যে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে, তা একেবারেই অনভিপ্রেত ও উদ্বেগজনক। তিনি সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না কেনা এবং পাম্পে অযথা ভিড় না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের দীর্ঘ ব্যবসায়িক জীবনে এমন পরিস্থিতি কখনও দেখিনি। এ অবস্থা সামলাতে সাধারণ গ্রাহকদের অবশ্যই সংযত হতে হবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার আশঙ্কা

সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল আরও সতর্ক করে বলেন, বারবার অনুরোধ করার পরও যদি গ্রাহকরা সংযত না হন, তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিতে বাধ্য হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এমন সিদ্ধান্ত কারো জন্যই মঙ্গলজনক হবে না এবং এটি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা

জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মার্চ মাসে অধিক মাত্রায় সরকারি ছুটি থাকায় জ্বালানি তেলের ধারাবাহিক সরবরাহ প্রক্রিয়া কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে দেশের বেশ কিছু জায়গায় পাম্প সাময়িকভাবে তেলশূন্য হয়ে পড়েছিল। তবে এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয় যে, আগামীকাল (শনিবার) থেকেই জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পুনরায় পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জনস্বার্থে স্বাভাবিকভাবে তেল সংগ্রহের অনুরোধ

জনস্বার্থে সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকভাবে তেল সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছেন পাম্প মালিকদের এই শীর্ষ নেতা। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ধৈর্য ধারণ ও সংযমী আচরণই বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোত্তম উপায়।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া এই সংকট কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে বলে মনে করছেন তারা।