২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ: জ্বালানি সংকট ও গণহত্যা দিবসের প্রেক্ষাপট
২৫-২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ, জ্বালানি সংকট কারণ

২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ: জ্বালানি সংকট ও গণহত্যা দিবসের প্রেক্ষাপট

সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাসমূহে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষ্যে রাতে কোনো অবস্থাতেই আলোকসজ্জা করা যাবে না। এছাড়া, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসেও দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় কৃচ্ছ্রসাধন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি সংকট মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবার ২৬ মার্চে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গণহত্যা দিবসের মর্যাদা রক্ষা

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৬ পালন উপলক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, এবং আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার মাধ্যমে এর মর্যাদা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি প্রক্রিয়া ও তথ্য প্রকাশ

গত ৮ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত জ্বালানি সংরক্ষণ ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোর যথাযথ পালনের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে জ্বালানি তেলের সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে এবং জাতীয় দিবসগুলোকে ভিন্নভাবে উদযাপনে অংশ নেবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ