বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, জুন মাসের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য একটি বিনিয়োগবান্ধব নতুন নীতি প্রণয়ন করা হবে। এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতেই সরকার কাজ করছে।
সেমিনারে মন্ত্রীর বক্তব্য
শনিবার (২ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, গত দুই মাসে জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, যা বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য বড় চাপ। তাই বিকল্প হিসেবে সোলার এনার্জির দিকে ঝুঁকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। এ লক্ষ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তাও চাওয়া হচ্ছে।
ঢাকার ভবনে সোলার প্যানেল
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার প্রতিটি ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। টুকু বলেন, বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো যদি তাদের ছাদ ব্যবহার করে সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, তাহলে তাদের গ্রিড বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।
প্রণোদনার পরিকল্পনা
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে এগিয়ে নিতে প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কর ছাড় বা ট্যাক্স কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে।



