বান্দরবানের সবচেয়ে দরিদ্র গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ১ হাজার ৯৭ পরিবার পেলেন
বান্দরবানের দরিদ্র গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ১,০৯৭ পরিবার পেলেন

বান্দরবানের সবচেয়ে দরিদ্র গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ১ হাজার ৯৭ পরিবার পেলেন

পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত একটি গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের আওতায় ভাতা দেওয়া হয়েছে।

দারিদ্র্য নিরূপণে আন্তর্জাতিক পদ্ধতি

সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, তিন পার্বত্য জেলার ১২১টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভার মধ্যে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডটিকে সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দারিদ্র্যের মাত্রা নিরূপণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির জরিপ চালিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী উপস্থিত ছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে দীপেন দেওয়ান বলেন, "সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সবার আগে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোকে ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে।" সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী জানান, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে জরিপে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের পাশাপাশি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়েছে। হিসাব নম্বরের ত্রুটি ও সরকারি দ্বৈত সুবিধার বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে বাকি ২১১ পরিবারও ভাতা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই উদ্যোগটি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে অন্যান্য দরিদ্র এলাকাতেও অনুরূপ কার্যক্রম চালানো হবে।