খুলনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন
খুলনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

খুলনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

খুলনা সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে চার হাজার ১৫৮ জনের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। জেলায় পর্যায়ক্রমে পাঁচ হাজার ২৭৫ জনের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খালিশপুরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, 'সরকারের ২৩ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়ন ফ্যামিলি কার্ড। জুনের বাজেটের পর পরিপূর্ণ আকারে সবাইকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। উন্নয়নের এই যাত্রা অব্যাহত রেখে দ্রুত সময়ে মিল-কলকারখানা, মৃত শিল্পনগরী পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে খুলনা আধুনিক শিল্পনগরীতে পরিণত হবে।'

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার বানানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটি অনলাইনে সরাসরি প্রচার করা হয়। আজ দেশের ১৪টি স্থানে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির নারীদের ৪৯ ধরনের তথ্য-উপাত্ত পিএম স্কোরিংয়ের মাধ্যমে প্রযুক্তির সহায়তায় বিশ্লেষণ করে উপকারভোগী বাছাই করা হয়েছে। সারা দেশে আজ ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন উপকারভোগী ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বক্তব্য

বিশেষ অতিথি খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, 'এখন ফ্যামিলি কার্ড পরবর্তীতে কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের সহায়তার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করা হবে।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তৃতা করেন:

  • রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক
  • কেএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান
  • জেলা প্রশাসক আ. স. ম জামশেদ খোন্দকার
  • কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ
  • অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন জামান

এই উদ্যোগটি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।