আগামী ১০ মার্চ ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং শুরু, মাসিক ২৫০০ টাকা সহায়তা
১০ মার্চ ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং শুরু

আগামী ১০ মার্চ ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু

সরকার আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত ১৪টি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

কার্ড বিতরণের বিস্তারিত পরিকল্পনা

মন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পরীক্ষামূলকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ১৪টি উপজেলার প্রতিটিতে একটি ইউনিয়ন ও একটি ওয়ার্ডে ‘ইউনিভার্সেল ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হবে। ঈদুল ফিতরের আগে আগামী ১০ মার্চ এ কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে বলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন।

কার্ডের সুবিধাভোগী ও আর্থিক সহায়তা

তিনি বলেন, দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। কার্ডধারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য রাখা হবে না। এটি হবে সম্পূর্ণ ‘ইউনিভার্সেল’ কার্ড ব্যবস্থা। এ বিষয়ের সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

পাইলটিং ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে চার মাস পাইলটিং কার্যক্রম চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে। প্রথমে একটি ওয়ার্ড, পরে একটি ইউনিয়ন এবং পরবর্তী সময়ে আরও এলাকা এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এভাবেই সারা বাংলাদেশ এটার সেবা পাবে এবং সুবিধাভোগী হবে।

এই উদ্যোগটি বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে চালু করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।