চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় চায়ের পাতিল টেনে গরম পানি পড়ে দগ্ধ পাঁচ বছরের শিশু হামিম বিন হোসেন ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছে। শনিবার সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার বিবরণ
গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটার দিকে আনোয়ারার বারশত ইউনিয়নের কবিরের দোকান এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় শিশুটির মা চা খাওয়ার জন্য চুলায় পাতিল বসিয়ে পানি ফোটাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে হামিম পাতিলটি টান দিলে গরম পানি তার পুরো শরীরে ছিটকে পড়ে। তাতে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।
চিকিৎসার ব্যর্থতা
পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ সকালে তিনি মারা যান।
পারিবারিক অবস্থা
নিহত হামিম বিন হোসেন রায়পুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া এলাকার সৌদিপ্রবাসী মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে। তার দুই বোন রয়েছে। দুর্ঘটনার পর পরদিনই সৌদি আরব থেকে ছুটে আসেন বাবা মোহাম্মদ হোসেন। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘হামিমের দুর্ঘটনার খবর শুনে পরদিনই সৌদি আরব থেকে চলে আসি। কিন্তু ছেলেকে বাঁচাতে পারিনি।’
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।



